);

শনিবার, ২৫ মে ২০১৯, ০২:৫৯ পূর্বাহ্ন

নোটিশ :
cht-breakingnews.com এ আপনাকে স্বাগতম। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার বেটা ভার্ষণ চলছে......
ব্রেকিং নিউজ :
খাগড়াছড়িতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ৩জনের স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি পার্বত্যমন্ত্রীর সাথে সন্তু লারমার বৈঠক বৌদ্ধ পূর্ণিমা নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রাঙামাটির পুলিশ রাঙামাটির হাসপাতালগুলোতে শূন্যপদে দ্রুত লোক নিয়োগের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি রাঙামাটি শহরে সিএনজিতে ফেলে যাওয়া যাত্রীর ৫ লক্ষ টাকার চেক ফিরিয়ে দিলেন অটোরিক্সা চালক ফনী মোকাবেলায় জেলা প্রশাসকের প্রস্তুতিমূলক সভা; দুর্যোগকালীন জরুরি ভিত্তিতে সেবা পেতে ফোন নম্বরগুলো হলো.. আমাকে মেরে যদি আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোর দাবি পূরণ হয়, তাহলে তাদের বুলেট আমি হাসি মুখে বরণ করবো- শহীদুজ্জামান মহসিন রোমান রাঙামাটিতে টিভি কাপ উন্মুক্ত নাইট সার্কেল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন নানিয়ারচর জোন কমান্ডারের বিদায় ও নবাগত জোন কমান্ডারের পরিচিতি উপলক্ষে মত বিনিময় সভা রক্তদান কর্মসুচীর উদ্বোধন মধ্যদিয়ে রাঙামাটিতে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালন
অবশেষে মুখ খুলেছে ভাইরাল হওয়া সেই ছবিটির ভিকটিম নারী রুম পাও ম্রো (ভিডিওসহ)

বান্দরবানে সংবর্ধনা নিয়ে চেয়ারম্যানের পক্ষে

অবশেষে মুখ খুলেছে ভাইরাল হওয়া সেই ছবিটির ভিকটিম নারী রুম পাও ম্রো (ভিডিওসহ)

নিজস্ব প্রতিবেদক: আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান আবুল কালাম কিছুই করেনি। বান্দরবানের ভাইরাল হওয়া সেই ছবিটির ভিকটিম রুম পাও ম্রো’ সোমবার বিকালে জেলার আলীকদম উপজেলায় সংবাদ সম্মেলন করে এই দাবী করেন।

সোমবার সাড়ে চারটায় ঘটনায় অভিযুক্ত আলীকদম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবুল কালাম এর বাস ভবনের দ্বিতীয় তলায় এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এসময় ম্রো নারীর ভাই মেন রুং ম্রো এমএনপি ( ম্রো ন্যাশনাল পার্টি)র কমান্ডার বোনকে সাথে নিয়ে বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান এর জন্য সে (রুম পাও ম্রো) অনেক কষ্ট করেছে, তাই খুশি হয়ে ফুলের মালা গলায় দিয়েছে, এটা কোন খারাপ কাজ না। আবুল কালাম চেয়ারম্যান কোন অন্যায় করেনি।

তিনি আরো বলেন, আমরা ম্রো, চাকমা,মারমা,বাঙালী আমরা মিলেমিশে থাকি, বাইরের লোক (বান্দরবানের বাইরে) এই কাজে উস্কানি দিচ্ছে। এই ব্যাপারে আমরা কোন প্রতিবাদ করবোনা। এই ব্যাপারে আমাদের কোন অভিযোগ নাই। এসময় কয়েকজন ম্রো তরুণসহ স্থানীয় সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

ভিকটিম রুম পাও ম্রো’র সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য তুলে ধরা হলো:

আবুল কালাম এর সাথে আমাদের পরিবারের দীর্ঘদিনের একটি সম্পর্ক আছে। আমরা তাকে অসাম্প্রদায়িক ও সৎ চরিত্রবান ব্যক্তি হিসেবে জানি। তার পিতা ও তার মত সকল সম্প্রদায়ের প্রিয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন। বিজয়ী হওয়ার পর আমরা পাড়াবাসী গত ২৩-৩-২০১৯ দুপুর ১২ ঘটিকার দিকে জনাব আবুল কালাম কে নিজ পাড়ায় সম্বর্ধনা প্রদান করি।

সম্বর্ধনা চলাকালে আমি অন্যান্যদের ন্যায় চেয়ারম্যান কে মাল্যদান করার পর আবেগপ্রবণ হয়ে খুশীতে কান্না করে ফেলি এবং এক পর্যায়ে মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার সময় চেয়ারম্যান মহোদয় আমাকে ধরে না ফেললে আমি গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হতাম। পাশাপাশি চেয়ারম্যান মহোদয় আমার কান্না থামানোর জন্য আমাকে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় আমার পরিবারের সদস্য মা-বাবা ভাইসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা দুই শতাধিক লোকজন সম্বর্ধনা স্থলে উপস্থিত ছিলেন। চেয়ারম্যান মহোদয়কে আমি ও আমার ভাইয়েরা আপন বড় ভাইয়ের মতো শ্রদ্ধা করি এবং তিনি আমাদেরকে ছোট বোনের মত জানেন। তাহার মধ্যে আমি বা আমরা কখনো খারাপ প্রবৃত্তি দেখিনি। তিনি এই ধরনের লোক নন। আমি জানতে পেরেছি উক্ত অনুষ্ঠানে আমার ও চেয়ারম্যান জনাব আবুল কালামের ছবিসহ উক্ত অনুষ্ঠানের কিছু ছবি চেয়ারম্যান মহোদয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের আইডি থেকে পোস্ট করেন।

উক্ত ছবিকে কেন্দ্র করে প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের কিছু লোকজন ও প্রতিক্রিয়াশীল চক্র আমার ছবিগুলো কে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিকৃতভাবে মন্তব্য করেন যা আমার আত্মসম্মানে আঘাত লাগে। আমি ও আমার পরিবার চেয়ারম্যান মহোদয়কে আমাদের পরিবারের সদস্য হিসেবে জানি। আমি তার একজন ভক্ত ও বটে। আমার ছবিগুলো ভাইরাল করার পূর্বে অথবা মিডিয়াতে প্রকাশ এর পূর্বে আমার ও আমাদের পরিবারের বক্তব্য নেয়া উচিত ছিল। কিন্তু তা না করে একটি সুন্দর ভাতৃত্ববোধকে পুরো পার্বত্য এলাকায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে উক্ত ছবিগুলি ভাইরাল করা হয়। সাধারণত ধর্মান্ধ প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী এ ধরনের সাম্প্রদায়িক উস্কানি সৃষ্টি করে তৃপ্তি পায়। আমি ও আমার পরিবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি এ ধরনের অপপ্রচার যারা করে তারা এলাকার শান্তি চায় না, সহাবস্থান চায় না। আমাকে নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে আমি জানিনা, এটা দুঃখজনক ও মানহানিকর”।

রুমপাও মুরং, পিতা- মেনসিং মুরং, গ্রাম- মেরিনচর পাড়া, ৯ নং ওয়ার্ড, ৩ নং নয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ, আলীকদম, বান্দরবান।

প্রসঙ্গত, আলিকদম উপজেলা চেয়ারম্যান আবুল কালাম এর বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানির অভিযোগে ২০১০ সালের ৯ জুন আলীকদম উপজেলা নারী ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমান ) শিরিনা আক্তার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। উপজেলা বিএনপির নেত্রী মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এর মামলার কারনে সে সময়ে জেলা জুঁড়ে তোলপাড় শুরু হয়।

ভিডিও ….

আলীকদমে উপজেলা চেয়ারম্যান কর্তৃক অভিযুক্ত মুরং কিশোরী রুমপাও মুরং এর বক্তব্য

“ জনাব আবুল কালাম এর সাথে আমাদের পরিবারের দীর্ঘদিনের একটি সম্পর্ক আছে। আমরা তাকে অসাম্প্রদায়িক ও সৎ চরিত্রবান ব্যক্তি হিসেবে জানি। তার পিতা ও তার মত সকল সম্প্রদায়ের প্রিয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন। বিজয়ী হওয়ার পর আমরা পাড়াবাসী গত ২৩-৩-২০১৯ দুপুর ১২ ঘটিকার দিকে জনাব আবুল কালাম কে নিজ পাড়ায় সম্বর্ধনা প্রদান করি। সম্বর্ধনা চলাকালে আমি অন্যান্যদের ন্যায় চেয়ারম্যান কে মাল্যদান করার পর আবেগপ্রবণ হয়ে খুশীতে কান্না করে ফেলি এবং এক পর্যায়ে মাথা ঘুরে পড়ে যাওয়ার সময় চেয়ারম্যান মহোদয় আমাকে ধরে না ফেললে আমি গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হতাম। পাশাপাশি চেয়ারম্যান মহোদয় আমার কান্না থামানোর জন্য আমাকে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় আমার পরিবারের সদস্য মা-বাবা ভাইসহ পরিবারের অন্য সদস্যরা দুই শতাধিক লোকজন সম্বর্ধনা স্থলে উপস্থিত ছিলেন। চেয়ারম্যান মহোদয়কে আমি ও আমার ভাইয়েরা আপন বড় ভাইয়ের মতো শ্রদ্ধা করি এবং তিনি আমাদেরকে ছোট বোনের মত জানেন। তাহার মধ্যে আমি বা আমরা কখনো খারাপ প্রবৃত্তি দেখিনি। তিনি এই ধরনের লোক নন। আমি জানতে পেরেছি উক্ত অনুষ্ঠানে আমার ও চেয়ারম্যান জনাব আবুল কালামের ছবিসহ উক্ত অনুষ্ঠানের কিছু ছবি চেয়ারম্যান মহোদয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের আইডি থেকে পোস্ট করেন। উক্ত ছবিকে কেন্দ্র করে প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপের কিছু লোকজন ও প্রতিক্রিয়াশীল চক্র আমার ছবিগুলো কে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বিকৃতভাবে মন্তব্য করেন যা আমার আত্মসম্মানে আঘাত লাগে। আমি ও আমার পরিবার চেয়ারম্যান মহোদয়কে আমাদের পরিবারের সদস্য হিসেবে জানি। আমি তার একজন ভক্ত ও বটে। আমার ছবিগুলো ভাইরাল করার পূর্বে অথবা মিডিয়াতে প্রকাশ এর পূর্বে আমার ও আমাদের পরিবারের বক্তব্য নেয়া উচিত ছিল। কিন্তু তা না করে একটি সুন্দর ভাতৃত্ববোধকে পুরো পার্বত্য এলাকায় সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা হাঙ্গামা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে উক্ত ছবিগুলি ভাইরাল করা হয়। সাধারণত ধর্মান্ধ প্রতিক্রিয়াশীল গোষ্ঠী এ ধরনের সাম্প্রদায়িক উস্কানি সৃষ্টি করে তৃপ্তি পায়। আমি ও আমার পরিবার প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি এ ধরনের অপপ্রচার যারা করে তারা এলাকার শান্তি চায় না, সহাবস্থান চায় না। আমাকে নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে আমি জানিনা, এটা দুঃখজনক ও মানহানিকর''। রুমপাও মুরংপিতা- মেনসিং মুরংগ্রাম- মেরিনচর পাড়া৯ নং ওয়ার্ড, ৩ নং নয়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ,আলীকদম, বান্দরবান

Posted by parbattanews.com on Monday, March 25, 2019

সংবাদটি শেয়ার করুন
খবরটি প্রিন্ট করুন খবরটি প্রিন্ট করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 cht-breakingnews.com
Developed BY Jyoti