আগামীতে নির্বাচিত হলে পাহাড়ী বাঙ্গালী সবাইকে পার্বত্য জেলার উন্নয়নে কাজ করব: ওয়াদুদ ভুঁইয়া | সিএইচটি-ব্রেকিং নিউজ ডট কম আগামীতে নির্বাচিত হলে পাহাড়ী বাঙ্গালী সবাইকে পার্বত্য জেলার উন্নয়নে কাজ করব: ওয়াদুদ ভুঁইয়া | সিএইচটি-ব্রেকিং নিউজ ডট কম );

বুধবার, ২৪ Jul ২০১৯, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন

নোটিশ :
cht-breakingnews.com এ আপনাকে স্বাগতম। পরীক্ষামূলক সম্প্রচার বেটা ভার্ষণ চলছে......
ব্রেকিং নিউজ :
খাগড়াছড়িতে কিশোরী ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় ৩জনের স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দি পার্বত্যমন্ত্রীর সাথে সন্তু লারমার বৈঠক বৌদ্ধ পূর্ণিমা নিয়ে সতর্ক অবস্থানে রাঙামাটির পুলিশ রাঙামাটির হাসপাতালগুলোতে শূন্যপদে দ্রুত লোক নিয়োগের সুপারিশ করেছে সংসদীয় কমিটি রাঙামাটি শহরে সিএনজিতে ফেলে যাওয়া যাত্রীর ৫ লক্ষ টাকার চেক ফিরিয়ে দিলেন অটোরিক্সা চালক ফনী মোকাবেলায় জেলা প্রশাসকের প্রস্তুতিমূলক সভা; দুর্যোগকালীন জরুরি ভিত্তিতে সেবা পেতে ফোন নম্বরগুলো হলো.. আমাকে মেরে যদি আঞ্চলিক সশস্ত্র সংগঠনগুলোর দাবি পূরণ হয়, তাহলে তাদের বুলেট আমি হাসি মুখে বরণ করবো- শহীদুজ্জামান মহসিন রোমান রাঙামাটিতে টিভি কাপ উন্মুক্ত নাইট সার্কেল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন নানিয়ারচর জোন কমান্ডারের বিদায় ও নবাগত জোন কমান্ডারের পরিচিতি উপলক্ষে মত বিনিময় সভা রক্তদান কর্মসুচীর উদ্বোধন মধ্যদিয়ে রাঙামাটিতে জাতীয় আইনগত সহায়তা দিবস পালন
আগামীতে নির্বাচিত হলে পাহাড়ী বাঙ্গালী সবাইকে পার্বত্য জেলার উন্নয়নে কাজ করব: ওয়াদুদ ভুঁইয়া

আগামীতে নির্বাচিত হলে পাহাড়ী বাঙ্গালী সবাইকে পার্বত্য জেলার উন্নয়নে কাজ করব: ওয়াদুদ ভুঁইয়া

ওয়াদুদ ভুইয়া সাবেক সংসদ সদস্য, ও খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সভাপতি। পাহাড়ের বাঙ্গালীদের মধ্যে নেতৃত্বের যে সংকট চলছে তার শুন্যতা পুরনের চেষ্টা করছেন। তার এলাকার পাশাপাশি তিনি রাঙামাটি জেলার বাঙ্গালীদের একটি অংশের কাছে বেশ জনপ্রিয় নেতা। ওয়াদুদ ভুইয়া ১৯৬৫ সনের ৫ জানুয়ারী তিনি খাগড়াছড়ি জেলার রামগড়ে জন্মগ্রহন করেন। ১৯৮০ সনে রামগড় সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পাশ করেন। তার উচ্চতর লেখা পড়া শেষ করেন চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া শোনার সময় ১৯৯৮৬-৮৭সনে চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহবায়ক ছিলেন। ১৯৮৯ সনে খাগড়াছড়ি স্থানীয় সরকার পরিষদ নির্বাচনে তিনি সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। ওয়াদুদু ভুইয়া ষষ্ঠ, সপ্তম, ৮ম নির্বাচনে অংশগ্রহন করেছেন এবং দুবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। সর্বশেষ জেলে থাকার কারনে ২০০৯ সনের নবম সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহন করতে পারেননি। গতবার বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে তিনি পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন। তত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ৪ ফেব্র“য়ারী তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ৩ বছল জেলে থাকার পর ২০০৯ সনের মে মাসে জামিনে মুক্তি পান। মুক্তি পাওয়ার ২/৩ এলাকায় গেলেও প্রশাসনের বাঁধার কারনে এলাকায় থাকতে পারেননি। তবে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এবং দলীয় নেতা কর্মীদের সাথে নানাভাবে সর্ম্পক গড়ে তোলে দলকে সুসংগঠিত করেছেন। আগামী নির্বাচনে তিনি ১৮ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে খাগড়াছড়ি আসন থেকে অংশ গ্রহন করবেন।
ওয়াদুদ ভুইয়া অনলাইন প্রতিদিন সিএইচটিব্রেকিং নিউজ ডট কমের সাথে একান্ত আলাপচারিতায় জানিয়েছেন আগামীতে নির্বাচিত হলে পাহাড়ী বাঙ্গালী সবাইকে সাথে নিয়ে তিন পার্বত্য জেলায় উন্নয়ন কর্মকান্ড পরিচালনা করবেন।

নিচে তার সাক্ষাতকারটি হুবহু তোলে ধরা হলো।

প্রশ্ন: কেমন আছেন?
ওয়াদুদ ভুইয়া : ভালো আছি।

প্রশ্ন: খাগড়াছড়িতে দলীয় কার্যক্রম কেমন চলছে?
ওয়াদুদ ভুইয়া: যথেষ্ট ভালো চলছে আগের যে অন্য যে কোন সময় এবং অন্য যে কোন জেলার চেয়ে খাগড়াছড়িতে বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকান্ড শক্তিশালী এবং সুশৃঙ্খলভাবে চলছে। পাশাপাশি আমাদের এক সময় আমরা যে সব অঙ্গ সংগঠন করতে পারি নাই সে সব সব কমিটি গঠন করেছি।

প্রশ্ন: অভিযোগ রয়েছে খাগড়াছড়ি বিএনপি দুভাগে বিভক্ত, দলীয় কার্যক্রম আলাদাভাবে চলছে এর কারন কি?
ওয়াদুদ ভুইয়া: এটি সর্ম্পুন অমুলক এবং একটি মিথ্যা, অভিযোগটি যারা করেন তারা একটা দলের হয়ে অপপ্রচার করছে। যারা এই অভিযোগটি যারা করছে তারা একটি দলের সক্রিয় সদস্য। বিএনপির মধ্যে কোন ভাগ নাই একটা জেলা কমিটি আছে তার অধীনে সকল কর্মকান্ড পরিচালিত হয়ে আসছে।

প্রশ্ন: আগামী নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন প্রাপ্তির ব্যাপারে প্রত্যাশা কতটুকু?

ওয়াদুদ ভুইয়া: অবশ্যই আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন তো আমি পাব। এখানে প্রত্যাশার কিছু নাই, কারন বিএনপিকে বছরের পর বছর তিলে তিলে আমি সংগঠিত করছি। সুদিনের কোকিল এসে তো মনোনয়ন পাবে না, একটা বড় দলে দল না করে কাজ না করে অনেকে নমিনেশন চাইতে পারে, তিন দিনের পাখি চারদিনের দিন নমিনেশন চাইতে পারে যেটা সাধারনত রাঙামাটিতে হয় সেখানে আমাদেও বেসিক কোন লিডার না থাকাতে হাওলাত করে আনতে হয়। খাগড়াছড়িতে হাওলাত করার কোন সুযোগ নাই। তিনদিনের কোকিলকে কেন মনোনয়ন দিবে, যেমন মনিস্বপন দেওয়ান উড়ে আসল এমপি মন্ত্রী হলো সরকার বিদায় হওয়ার আগে চলে গেল। এ জাতীয় নেতারা দলের জন্য ক্ষতিকারক।

প্রশ্ন: জয়ের ব্যপারে কতটুকু আশাবাদী? কেন জনগন আপনাকে ভোট দিবে?

ওয়াদুদ ভুইয়া: জয়ের ব্যাপারে অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে আমি এবার অনেক বেশী আশাবাদী। কারন ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত যে সব উন্নয়নমুলক কাজ করেছি, শিক্ষার প্রসার ঘটিয়েছি, এলাকায় শান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করেছি, বিভিন্ন সেক্টরে যে উন্নয়নমুলক কাজ করেছি সে কারনে এই প্রজন্মের তরুন সমাজ আমার প্রতি আকৃষ্ট। অতীতে আমি জনগনের সুঃখ দুঃখে পাশে ছিলাম জনগন আমার পাশে ছিল আমি তাদের পাশে ছিলাম। বিশেষ করে ওয়ান এলেভেন সরকারের সময় আমার উপর যে নিপীড়ন নির্যাতন করা হয়েছে সে কারনে জনগন আমার প্রতি সহানুভুতিশীল, আমার কর্মের কারনে আমাকে জনগন সমর্থন করে আমার প্রতি নির্যাতনের কারনে আমার প্রতি সহানুভুতিশীল তাই অতীতের যে কোন সময়ের চেয়ে আমি এবার জয়ের ব্যাপারে একশত ভাগ আশাবাদী।

প্রশ্ন: আগামীতে নির্বাচিত হলে কি জাতীয় উন্নয়ন পদক্ষেপ নিবেন?

ওয়াদুদ ভুইয়া: আগামীতে ১৮ দলীয় জোট সরকার গঠন করতে পারলে আমরা খাগড়াছড়ি বা তিন পার্বত্য জেলায় টেকসই উন্নয়ন করব। আমরা ৩টি মেয়াদে স্বল্প মেয়াদী, মধ্য মেয়াদী এবং দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহন করব। বিশেষ করে আমরা দীর্ঘ মেয়াদী কাজ করব যাতে পাহাড়ের মানুষ এর সুফল পায়। আমরা পাহাড়ে শান্তি স্থাপন, পাহাড়ী বাঙ্গালীর মধ্যে বিশ্বাস, আস্থা ও বন্ধুত্ব প্রতিষ্ঠায় কাজ করব।

প্রশ্নঃ বিগত ৭ বছর ধরে আপনি আপনার নির্বাচনী এলাকায় যাচ্ছেন না কেন? কেবল টেলি কনফারেন্স করে জনগনের মন পাওয়া যায়?

ওয়াদুদ ভুইয়া: কথাটা ঠিক না,আমি ৭ বছরের মধ্যে ৩ বছর জেলে ছিলাম। জেলে থাকা অবস্থায় আমি কোর্টে ২ বার হাজিরা দিয়েছি তখন আমাকে দেখতে হাজার হাজার মানুষ কোর্ট প্রাঙ্গনে গিয়েছিল। এলাকায় আমি যাই না একথাটি যারা বলে তারা উদ্দ্যেমুলকভাবে বলে, তারা জেলের অংশটিও যোগ করে। বিভিন্ন বাধার মুখে এই সরকারের আমলে ৪ বার গিয়েছি কিন্তু প্রশাসনের অনুরোধে আমি এলাকায় থাকতে পারি নাই। প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর থেকে আমার প্রতি বিরাগভাজন আছে এবং পার্বত্য চট্রগ্রাম নিয়ে যে সব দেশী বিদেশী ষড়যন্ত্রকারী রয়েছে তারা যেতে বাঁধা দিচ্ছে, সরকার আমাকে ভয় পায়। আমি এলাকায় থাকলে আমার নেতা কর্মীদের উপর সরকারীদল ও প্রশাসন নিপীড়ন নির্যাতন চালায় তাদের সেভ করা করাও আমার দায়িত্ব তাই আমি এলাকায় গেলেও থাকতে পারিনি। এলাকায় যাওয়া হয় কিন্তু থাকা হয় না। কিন্তু এতে আমার কাজের সমস্যা হয় না, কারন এটা দীর্ঘদিনের ফসল আমি খাগড়াছড়ি বিএনপিকে সেভাবে সাজিয়েছি। আমি লন্ডন থাকলেও দলটি সেভাবে পরিচালিত হবে।

প্রশ্ন: গতবার বিএনপি ক্ষমতা থাকাকালীন সময়ে আপনি পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান ছিলেন সে সময় খাগড়াছড়ির উন্নয়নে কি পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। সে সময় দলীয়করন আত্বীয়করন এবং ব্যাক্তি বিশেষকে কাজ দেয়ার অভিযোগ উঠেছিল বিষয়গুলোকে আপনি কিভাবে দেখছেন?

ওয়াদুদ ভুইয়া: প্রচুর কাজ করেছি, যা তারা বিগত ১শ বছরেও হয়নি আগামী ৫০ বছওে হবে কিনা সন্দেহ। আমি দায়িত্ব পালনকালে সব সেক্টরে কাজ করেছি। বরং কোন সেক্টরে কাজ করি নাই সেটা বলেন। আত্বীকরন ও দলীয়করন বলতে কিছু হয়নি, বরং যে পরিমান উন্নয়ন কাজ হয়েছে এত বেশী পরিমান ছিল যে সাধারন ঠিকাদাররা কুলিয়ে উঠতে পারছিল না। তখন সাধারন ঠিকাদারদের পাশপাশি আমাদের দলে এবং কারো আত্বীয় ঠিকাদার থাকলে হয়ত সে কাজ করেছে তাও বৈধভাবে টেন্ডার প্রক্রিয়ার নিয়ম মাফিক। এখানে আত্বীয়করনের কোন সুযোগ ছিল না।
প্রশ্নঃ আপনার দল ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে আপনার সাথে স্থানীয় সাংবাদিকদের টাগ ওয়ার লেগে ছিল, এটা কেন?
ওয়াদুদ ভুইয়াঃ সাংবাদিকদের সাথে আমার কোন টাগ ওয়ার কখনো ছিল না। বরং আমি বলতে পারব আমার আমলে ব্যাক্তিগত পর্যায়ে, সামাজিক উন্নয়ন এবং সাংগঠনিক পর্যায়ে সাংবাদিকরা লাভবান হয়েছে। আমার পারিবারিক অনুষ্ঠানে তাদের অগ্রভাগে দাওয়াত ছিল। আমার কোন নগদ টাকা দেয়ার অভ্যাস ছিল না তবে অন্যভাবে তারা লাভবান হয়েছে। আমার সাথে তাদের কোন বিরোধ নেই। এখন যে কজন আমার বিরুদ্ধে মনগড়া সংবাদ পরিবেশন করছে তারা একটি রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ত এবং তাদের দ্বারা প্ররোচিত হয়ে নিউজ লিখছে। তারা তো জাতির বিবেক তাদের বিবেকের কাছে ছেড়ে দিলাম তারা আমার প্রতি অবিচার করছে নাকি ন্যায় বিচার করছে।
প্রশ্নঃ খাগড়াছড়ির রাজনীতিতে বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে আওয়ামীলীগের নেতারা এলাকা ছাড়া থাকে, আবার আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় আসলে বিএনপির নেতৃবৃন্দ এলাকা ছাড়া থাকেন এটা কেন?

ওয়াদুদ ভুইয়াঃ অভিযোগটা সত্যিই না। আমাদের আমলে বর্তমান এমপি, সেক্রেটারী সবাই বহাল তবিয়তে ছিল। আমাদের অনুষ্ঠানে এসেছে একসাথে চা খেয়েছি। কেবল একজন অস্ত্র নিয়ে ধরা পড়েছে তাও সেটা তাদের কারনে আমার কারনে না। বরং শান্তি চুক্তি বিরোধী আন্দোলনকে ইস্যু করে আমাদের বাড়ী ঘর জ্বালিয়ে দেয়া হয়েছিল। বিএনপির আমলে এরা এলাকায় বহাল তবিয়তে থাকতে পারে বরং এদের আমলে আমরা এলাকায় ছাড়তে হয়েছে ।

প্রশ্নঃ আপনি পার্বত্য চট্রগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান থাকাকালীন সময়ে পার্বত্য সম অধিকার আন্দোলন গঠন করেছেন এখন এটি নানাভাবে বিভক্ত এর কারন কি? আপনারা আমলে যারা সুযোগ সুবিধা নিযেছে তারা আপনার বিপক্ষে ক্থা বলছে? সম অধিকার কয়েক গ্র“পে বিভক্ত আপনার কি মনে হয় এই সম অধিকার পাহাড়ে সম অধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব?

ওয়াদুদ ভুইয়াঃ পার্বত্য সম অধিকার আন্দোলন পাহাড়ী বাঙালীর সম্প্রীতি ও বঞ্চিত মানুষের উন্নয়নের জন্য এটি গঠন করা হয়েছিল। এটা একটা শান্তি প্রিয় অরাজনৈতিক সংগঠন। এটা জনগনের কাছে অত্যন্ত সমাদৃত হয়েছিল। ওয়ান এলেভেনের সময় এই সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বিভিন্নভাবে হয়রানির স্বীকার হয়, সে সময় সংগঠনের কার্যক্রম আগোছালো হয় একটু বিক্ষিপ্ত বিস্তৃত হয়ে গেছে। একটা সংগঠন যখন বড় হয় তখন অনেক গ্র“প অনেক মত হয় যেটা বড় দলেও আছে। নেতৃত্ব নিয়ে যেহেতু সংগঠনটা বড় হয়েছে নাম যশ খ্যাতি হয়েছে সেহেতু নেতৃত্বে প্রতিযোগিতা থাকতে পারে এটাকে আমি এটাকে বিভক্ত বলব না, এটা স্বাভাবিক । বর্তমান সরকার এবং ওয়ান এলেভেনের সরকার সংগঠনটির বিরুদ্ধে ছিল তাই এগুলো কাটিয়ে উঠতে সময় লাগবে। কেউ কাকে অপছন্দ করে না বা কারো মতের সাথে মতের অমিল থাকতে পারে এনিয়ে প্রতিযোগিতা হচ্ছে এক সময় সব ঠিক হয়ে যাবে। বিরোধীতার মধ্যে দিয়ে এক পর্যায়ে সব ঠিক হয়ে যাবে। কে আমাকে পক্ষে বলল বা বিপক্ষে বলল তাতে আমার কিছু যায় আসে না, কারন আমি যে কাজটা করলাম সেটি ঠিক আছে কিনা, জনগনের জন্য কাজ করেছি কিনা আমি সঠিক আছি কিনা। কারন আমি যদি একটা বিচার করি তাহলে এটি কারো না কারো বিপক্ষে যাবে যার বিপক্ষে সে তো আমার বিপক্ষে যাবে এটাই স্বাভাবিক।

প্রশ্ন: আপনারা ক্ষমতায় আসলে পার্বত্য চুক্তি বাস্তবায়ন করবে কিনা?
ওয়াদুদ ভুইয়াঃ এটা দলীয় হাই কমান্ডের ব্যাপার চুক্তি বাস্তবায়ন করবে না বাতিল করবে এনিয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না।

প্রশ্নঃ আপনার দল ক্ষমতায় আসলে পাহাড়ী বাঙ্গালীর মধ্যে সর্ম্পক উন্নয়নে কি পদক্ষেপ নিবেন?
ওয়াদুদ ভুইয়াঃ আমি বিশ্বাস করি পাহাড়ে শান্তি স্থাপন করতে হলে নিরীহ নিরস্ত্র পাহাড়ী বাঙ্গালীর মধ্যে বন্ধুত্ব স্থাপন করতে হবে আমরা এখনো চেষ্টা করছি, ক্ষমতায় আসলে ব্যাপকভাবে চেষ্টা করব। বন্ধুত্ব, আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপন করতে পারলে পাহাড়ী বাঙ্গালীর মধ্যেকার সংকট কেটে যাবে। কারন নিরস্ত্র পাহাড়ীরা মুলত শান্তি চায়, সশস্ত্র সন্ত্রাসী গ্র“পগুলো কেবল বাঙ্গালীদের উপর নয় নিরীহ পাহাড়ীদের উপর নির্যাতন নিপীড়ন চালায়। নিপীড়িতরা সব সময় এক কাতারে থাকে। সে কি পাহাড়ী হলো নাকি বাঙ্গালী সেটা বড় কথা নয়। তাই পাহাড়ী বাঙ্গালীদের যদি ঐক্যবদ্ধ করা যায় তাহলে সশস্ত্র গ্র“পগুলো বিলীন হয়ে যাবে। আমি তাদের বলব তারা যেন সংঘাতের পথ পরিহার করে।

প্রশ্ন: জেএসএস- ইউপিডিএফের রাজনৈতিক কর্মকান্ডকে কিভাবে দেখছেন?

ওয়াদুদ ভুইয়া: জেএসএস ইউপিডিএফ এর রাজনীতি হচ্ছে আধিপত্যে বিস্তার আর চাঁদা কে বেশী উঠাবে এনিয়ে তারা সংঘাতে জড়িয়ে পড়ছে। এগুলো মানবতা পক্ষের কাজ না, মানবতা বির্বজিত কাজ। তাদের ভ্রাত্বঘাতি যারা নিহত হয়েছে আমরা তারও নিন্দা জানাই।

প্রশ্ন: বর্তমান সরকারের সময়কালকে কিভাবে মুল্যায়ন করবেন?

ওয়াদুদ ভুইয়া: বর্তমান সরকারের আমলে এলাকায় উন্নয়ন হয়নি এলাকার মানুষকে সময় দেয়নি। এরা ভিন্নমতের মানুষকে কিভাবে নাজেহাল করা যায়, এরা সময় দিয়েছে বিএনপিকে কিভাবে ধব্বংস করা যায় এই কাজে। এই ৯ বছরে মানুষকে গালিগালাজ করা ছাড়া আর কিছু করতে পারেনি। শেয়ারবাজার, ডেসটিনি হলমার্ক, ব্যাংক লুট করেছে। পার্বত্য এলাকায় উন্নয়ন বলতে কিছু করেনি। এরা আমাকে এলাকা ছাড়া করেছে। এরা সম্মানীত ব্যাক্তিকে কিভাবে নাজেহাল করা যায় সে কাজে সময় ব্যয় করেছে। এরা সাবেক রাষ্ট্রপ্রতি ও ৩ বারের প্রধানমন্ত্রীর পুত্র তারেক রহমানকে দেশে আসতে দিচ্ছে না। মিথ্যা মামলায় রায় দিয়ে বিএনপিকে ধব্বংস করতে চায় এরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন
খবরটি প্রিন্ট করুন খবরটি প্রিন্ট করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2018 cht-breakingnews.com
Developed BY Jyoti